দুটি মানুষ পরস্পরকে ভালোবেসে যখন কাছাকাছি আসেন তখন তাদের মধ্যে শারীরিক আকর্ষণকে অগ্রাহ্য করা যায় না। আমরা জানি যে এই বিষয়ে একেক কাপলের একেক রকম মতামত হবে। কেউ সম্পর্ক স্থাপন করার পরেই শারীরিক মিলনে আগ্রহী হয় কেউ আবার বিয়ে পর্যন্ত এই সব বিষয় স্থগিত রাখেন। আসুন দেখে নিই সম্পর্কের ভিত গড়তে যৌনতার গুরুত্ব নিয়ে কী বলছে আজকের প্রজন্ম?
সম্পর্ক গড়তে গেলে এটাই একমাত্র ফ্যাক্টর নয়-
অবশ্যই সম্পর্ক এগোলে সেখানে যৌনতা আসবে, উঠবে শারীরিক মিলনের প্রসঙ্গও। কিন্তু সেটাই একমাত্র ফ্যাক্টর নয়। দুজনে শারীরিকভাবে কাছাকাছি এলে ভালো লাগে। তবে যৌনতাই যদি একমাত্র উদ্দেশ্য হয় তাহলে বুঝতে হবে সেখানে ভালোবাসা নেই!
একটা সুস্থ সম্পর্কের ভীষণভাবে প্রয়োজন-
শুধুই সেক্স থাকলে যেমন ভালোবাসা থাকে না ঠিক সেরকমই যৌনতা একেবারেই না থাকলে সেখানেও ভালোবাসা থাকে না বলে বিশ্বাস করেন একজন মহিলা। পরস্পর যেমন পরস্পরের মনের উপর আস্থা রাখে ঠিক সেরকমই শরীরের উপরও আস্থা থাকা উচিৎ। কারণ সেক্সুয়াল কমপ্যাটিবিলিটি বলে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে সেটা মাথায় রাখা দরকার।
শরীর জড়িয়ে আছে ইমোশনের সঙ্গে-
ইমোশন বা আবেগের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে শরীর । তিনি মনে করেন সেক্স বা যৌনতা মানেই সেটা বিছানায় কোনও রগরগে ব্যাপার নয়। মন এক হলেই শরীর এক হতে চাইবেই। তাছাড়া শারীরিক মিলনের সময় সঙ্গীকে আরও নিবিড় ভাবে চেনা যায় তাকে আরও কাছ থেকে বোঝা যায়। আর এই কাছে আসাই দুটো মানুষকে মানসিকভাবে কাছে নিয়ে আসে। অর্থাৎ শরীরের কাছে আসার উপর অনেকটাই নির্ভর করে মনের আবেগ।
যৌনতা নয় যাকে ভালোবাসি তাকে কাছে পাওয়া বেশি জরুরি-
শারীরিক সম্পর্ক যখন তখন হতে পারে, ক্যাজুয়াল সেক্সও হতে পারে। তাই সেটা একদমই বড় ব্যাপার নয়। কিন্তু আপনি যদি কারো সঙ্গে সম্পর্কে জড়িত থাকেন এবং তাকে কাছে পেতে চান বাঁ সে আপনাকে কাছে পেটে চায় তখনই এই বিষয়টি বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। অনেকেই তাই মনে করেছেন একটা নিটোল সুন্দর ও সুস্থ সম্পর্কে যৌনতা থাকবেই।
যৌনতা সম্পর্কে পজিটিভ এফেক্ট নিয়ে আসে-
শরীরের যেমন মন আছে ঠিক তেমনি মনেরও শরীর আছে। শারীরিক মিলন এক বিশেষ ধরনের এক্সারসাইজও বটে। মিলনের সময় নানা রকমের ফিলগুড হরমোন শরীর থেকে নিঃসৃত হয় আর সেটা মনকেও অনেকটা ফুরফুরে করে তোলে। শারীরিক ঘনিষ্ঠতা অনেক সময় নানা ভুল বোঝাবুঝি ও মানসিক দূরত্ব ঘুচিয়ে দেয় আর তাই সম্পর্কের ভিত গড়তে যৌনতার গুরুত্ব উপেক্ষা করা যায় না।





















